Pages

Showing posts with label হাসসান বিন সাবিত. Show all posts
Showing posts with label হাসসান বিন সাবিত. Show all posts

Thursday, 30 September 2021

হাসসান বিন সাবিতঃ সেই দিনগুলি ফিরবে না আর!



সেই দিনগুলি ফিরবে না আর!
হ়াস্‌সান বিন সাবিত (রাঃ)

হে আমার জাতি, যা আমাদের নিকটবর্তী হয়েছে (অর্থাৎ মৃত্যু), তার কোনো প্রতিরোধকারী আছে কি? জীবনের যে সুখের দিনগুলি অতিবাহিত হয়ে গেছে, তা ফিরিয়ে আনার মতো কেউ আছে কি?

আমি সেই অতিবাহিত দিনগুলির কথা স্মরণ করি, আর বেদনার্ত স্মৃতিগুলো আমার মনে এসে ভিড় করে। তার ফলে আমার (দু’চোখ বেয়ে) অশ্রু ঝরতে আরম্ভ করে

প্রণয় ও আসক্তির বাঁধন আমাকে সেই সব বন্ধু ও শহীদদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, যারা গত হয়ে গেছেন; বিশেষ ভাবে নুফাই’ ও রাফে’র কথা

আর বন্ধুবর সা’দের কথা, তাঁরা সকলেই স্বর্গবাসী হয়েছেন, অথচ তাঁদের বাসস্থানগুলি এখন নির্জন ও ভয়ানক হয়ে পড়েছে আর তাঁদের আবাদী জমিগুলো অনুর্বর হয়ে গেছে।

বদর যুদ্ধের দিন, যখন তাঁদের মাথার উপর ছিল মৃত্যু ও ধারালো তরবারির ছায়া, তখনও তাঁরা নবী ( সাঃ)-এর বিশ্বস্ত থেকে ছিল, তাঁর আদেশ প্রত্যাদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিল

তিনি (সাঃ) আহ্বান করেছিলেন, তাঁরা তাঁর সেই আহবানে যথাযথ ভাবে সাড়া দিয়েছিল। তাঁরা প্রত্যেকই তাঁর (অর্থাৎ নবী সাঃ-এর) প্রতিটি বিষয় শুনতো  এবং তা অনুসরণ করতো

তাঁরা তাঁর (অর্থাৎ নবী সাঃ-এর) সিদ্ধান্ত কখনও বিন্দু মাত্র পরিবর্তন করেনি, এমনকি তাঁরা সকলে (রণক্ষেত্রেও) উপস্থিত হয়ে গেছিল। অথচ বিশ্রামস্থল অর্থাৎ কবর ব্যতীত কোনো কিছুই মৃত্যুকে পরিবর্তন করতে পারে না (অর্থাৎ রণক্ষেত্রে মৃত্যু একরকম নিশ্চিত জেনেও তাঁরা হাজির হয়েছিলো, শুধু মাত্র নবী (সাঃ) ও তাঁর আদর্শকে ভালোবেসে)

কারণ, তাঁরা সকলে (হাশরের ময়দানে) নবী সাঃ-এর সুপারিশ আকাঙ্ক্ষা করে, যেদিন নবীরা ছাড়া আর কোনো সুপারিশকারী থাকবেন না।

হে সৃষ্টির সেরা ব্যক্তি (অর্থাৎ নবী সাঃ), ওই বদর যুদ্ধ ছিল আমাদের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ এবং আল্লাহ্‌র পথে শহীদ হওয়ার স্থানআর মৃত্যু হলো (পৃথিবীর বাঁধন) ছিন্নকারী (এবং আমাদের তৃষ্ণা নিবারণকারী)

আমাদের প্রথম পদক্ষেপ ছিল আপনার প্রতিই, আর আল্লাহ্‌র আনুগত্যের ব্যাপারে আমাদের পরবর্তীরা আমাদের পূর্ববর্তীদের অনুসারী।

আর আমরা দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি যে, সমগ্র ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব কেবলমাত্র আল্লাহ্‌রই। আর তাঁর (প্রত্যেকটি) আদেশ ও ফয়সালা অবশ্যম্ভাবী।

অনুবাদ- আব্দুল মাতিন ওয়াসিম 



ألا يا لقوم هل لما حمّ دافع

حسان بن ثابت الأنصاري

 

وقال في يوم بدر:

 

أَلا يا لَقَومٍ هَل لِما حُمَّ دافِعُ     وَهَل ما مَضى مِن صالِحِ العَيشِ راجِعُ

تَذَكَّرتُ عَصراً قَد مَضى فَتَهافَتَت       بَناتُ الحَشا وَاِنهَلَّ مِنّي المَدامِعُ

صَبابَةُ وَجدٍ ذَكَّرَتني أَحِبَّةً                وَقَتلى مَضَوا فيهِم نُفَيعٌ وَرافِعُ

وَسَعدٌ فَأَضحَوا في الجِنانِ وَأَوحَشَت       مَنازِلُهُم وَالأَرضُ مِنهُم بَلاقِعُ

وَفَوا يَومَ بَدرٍ لِلرَسولِ وَفَوقَهُم             ظِلالُ المَنايا وَالسُيوفُ اللَوامِعُ

دَعا فَأَجابوهُ بِحَقٍّ وَكُلُّهُم                  مُطيعٌ لَهُ في كُلِّ أَمرٍ وَسامِعُ

فَما بَدَّلوا حَتّى تَوافَوا جَماعَةً              وَلا يَقطَعُ الآجالَ إِلّا المَصارِعُ

لِأَنَّهُمُ يَرجونَ مِنهُ شَفاعَةً                   إِذا لَم يَكُن إِلّا النَبِيِّينَ شافِعُ

وَذَلِكَ يا خَيرَ العِبادِ بَلاؤُنا                وَمَشهَدُنا في اللَهِ وَالمَوتُ ناقِعُ

لَنا القَدَمُ الأولى إِلَيكَ وَخَلفُنا                   لِأَوَّلِنا في طاعَةِ اللَهِ تابِعُ

وَنَعلَمُ أَنَّ المُلكَ لِلَّهِ وَحدَهُ                      وَأَنَّ قَضاءَ اللَهِ لا بُدَّ واقِعُ

Tuesday, 7 November 2017

হাসসান বিন সাবিত (রাঃ) শায়েরুর রাসূল

হাসসান বিন সাবিত (রাঃ) শায়েরুর রাসূল বা রাসূলের কবি 
(৫৫৩ – ৬৭৪ খ্রি)
আব্দুল মাতিন ওয়াসিম

তিনি মুখাযরাম (যে সকল কবিসাহিত্যিক প্রাক-ইসলামি ও ইসলামি উভয় যুগে সাহিত্য চর্চা করেছেন) কবিকুলের মধ্যে অন্যতম। কুৎসা রচনায় ও প্রতি-উত্তর প্রদানে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। রাসুল সা ও ইসলামের প্রশংসায় এবং কাফির-মুশরিকদের প্রতি-উত্তরে বহু কবিতা রচনা করেছেন। আর এ কারণেই তিনি শায়েরুর-রাসূল (রাসুলের কবি) উপাধিতে ভূষিত।

পরিচিতি ও জন্ম
তিনি খাযরাজ বংশীয় একজন মুখাযরাম কবি। নাম হাসসান, উপনাম আবুল ওয়ালিদ, পিতার নাম সাবিত ৫৫৩ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।

ইসলাম-পূর্ব জীবন
তিনি মদিনায় লালিত পালিত হয়েছেনপ্রাক-ইসলামি ও ইসলামি উভয় যুগেই কাব্য চর্চা করেছেন। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তিনি মানাযেরাগাসাসেনাহ-দের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেনতাঁদের থেকে প্রচুর উপহার-উপঢৌকনও পেয়েছেন  এছাড়া জাফনা পরিবারের স্তুতি বর্ণনা করে অসংখ্য কবিতা রচনা করেছেনফলে ইসলামোত্তর জীবনেও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর

রাসুলের কবি রূপে
হিজরতের পরে, নিজ গোত্রের এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাসুল সা-র নিকট উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং সে-দিন থেকেই রাসুল ও ইসলামের সেবায় আত্মনিবেদন করেন। পরবর্তীতে কোরায়েশের কুৎসা-বাণ অসহনীয় হয়ে উঠলে রাসুল সা আক্ষেপের সুরে বলেন-
" مَا يَمْنَعُ الَّذِيْنَ نَصَرُوا اللهَ وَ رَسُوْلَهُ بأسلحتهم أن ينصروه بألسنتهم"
(যারা নিজ তরবারি দিয়ে আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসুলের সাহায্য করেছেন, কথা দিয়ে সাহায্য করতে কোন জিনিস তাঁদের বাধা দিচ্ছে)
কবি হাসসান   "أنا لها"(আমি এই কাজের লোক) বলে তাঁর আহ্বানে সাড়া দেন। অতঃপর রাসুল সা হাসসানকে প্রশ্ন করেন- “আমিও কোরায়েশ বংশীয়, তাহলে কীভাবে তুমি তাদের কুৎসা করবে?” এর উত্তরে কবি বলেছিলেন-
" أسُلُّكَ مِنْهُمْ كَمَا تُسَلُّ الشَّعْرَةُ مِنَ الْعَجِيْنِ"
(আমি আপনাকে তাঁদের মধ্য থেকে বের করে আনবো, যেভাবে মথিত আঁটা থেকে চুল বের করে আনা হয়)
অতঃপর রাসুল সা তাঁর জন্য প্রার্থনা করলেন- اللّهُمّ أيّدْهُ بروْحِ القُدس (আল্লাহ্‌! তুমি জিবরাইল দ্বারা এর সাহায্য করো)ফলে রাসুল সা-এর অনুমতি ও আশীর্বাদ নিয়ে হাসসান রা এমনভাবে কোরায়েশদের কুৎসা করলেন যে তাদের সকলকে নির্বাক করে দিলেন।

পরলোকগমন
এ সফলতার পর তাঁর শ্রীবৃদ্ধি ঘটেছিল, খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল চতুর্দিকেবায়তুল-মাল (মুসলিমদের কোষাগার) হতে তিনি মৃত্যু কাল পর্যন্ত ওযীফা (সাম্মানিক ভাতা) প্রাপ্ত হয়েছিলেন।
১২০ বছর বয়সে ৬৭৪ খ্রি মোতাবেক ৫৪ হিজরিতে তিনি পরলোকগমন করেন।  

কাব্য-প্রতিভা
তিনি জাহেলি যুগে খাযরাজের কবি ছিলেন। নবী সা-এর জীবদ্দশায় রাসুলের কবি ও ইসলামি যুগে ইয়ামেনের কবি  ছিলেন। জাহেলি যুগে তিনি কঠিন শব্দে ও দৃঢ় ভঙ্গিমায় কবিতা রচনা করতেন, কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর তাঁর এই তেজস্বীতা দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই আস্মায়ী মন্তব্য করেছেন- " إن شعره لم يقو إلا في الشر، فلما جاء الإسلام بالخير ضعف"
(নিশ্চয় তাঁর কবিতা শুধু অমঙ্গলের ক্ষেত্রেই সবল ও শক্তিশালী ছিল। ফলে যখন ইসলাম মঙ্গল বয়ে আনল, তাঁর কবিতা তীব্রতা ও তেজস্বীতা হারিয়ে ফেলল।)

উপজীব্য  
তিনি আত্মগৌরবমূলক (فخرية), সাহসিকতা ও বিরত্বগাথা (حماسة), প্রশংসামূলক (مدحية) ও কুৎসামূলক (هجائية) বিবিধ আঙ্গিকে কবিতা রচনা করেছেন। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে গাসাসেনাহ ও মানাযেরাহদের প্রশংসা করে কবিতা রচনা করেছেন। আর ইসলাম গ্রহণের পরে রাসুল সা-র প্রশংসায় ও মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে বহু কবিতা সৃজন করেছেন। এছাড়া নিজ গোত্র ও বংশের বিরত্বের গান গেয়েছেন বহু কবিতায়।  

কবিতার বৈশিষ্ট
(ক) তিনি তীব্র কুৎসাকারী ও তীক্ষ্ণ বিদ্রূপকারী ছিলেন। বিশেষত, কোরায়েশদের এমন তীব্র কুৎসা করেছিলেন যে তারা নির্বাক হয়ে পড়েছিল। এরই দরুন বলা হতো- " لو مزج البحر بشعره لمزجه" (তাঁর কবিতা যদি সমুদ্রে মেশানো হয় তাহলে সমুদ্রকেও নিজ রঙে রাঙিয়ে দেবে ।) যেমন তিনি বলেছেন-
بأن سيوفنا تركتك عبدا     و عبد الدار سادتها الإماء
(হে আবু সুফিয়ান!) আমাদের তরবারি তোমাকে দাসে পরিণত করেছে। আর (তোমার গোত্র) আব্দুদ্দার-এর নেতৃত্ব দেয় বাঁদিরা।

(খ)  গৌরব বর্ণনায় অনেকের মতে তিনি আমর বিন কুলসুমের সমকক্ষ ছিলেন। নিজ গোত্রের গৌরব বর্ণনায় বলেছেন-  
لقد تقلدنا العشيرة أمرها     و نسود يوم النائبات و نعتلي
নিঃসন্দেহে আমরা সমাজের বিষয়সমূহ নিজ-কাঁধে বহন করি। আর দুর্যোগ ও সংঘর্ষের মুহূর্তে আমরাই নেতৃত্ব দিই এবং জয়ী হই।

(গ) প্রশংসামূলক কবিতা রচনায় ছিলেন সিদ্ধহস্ত। যাবারকানের প্রতিউত্তরে রাসুল ও তার গোত্রের প্রশংসায় বলেছিলেন-   
إن الذوائب من فهر و إخوتهم     قد بينوا سنة للناس تتبع
নিশ্চয় ফাহার গোত্রের সিংহেরা (নেকড়েরা) জনগণের জন্য যে পথ স্পষ্ট করে দিয়েছে, তা-ই অনুসরণ করা হবে।

(ঘ) তিনি ছিলেন ইসলামের তরে নিবেদিত প্রাণ। তাই ইসলামী পরিভাষার প্রাচুর্য রয়েছে তার রচনায়। তিনি কবিতায় কুরআনের বাক্যাংশ সুন্দরভাবে ব্যবহার করেছেন, যেমন-  
الحمد لله و النعماء و الأمر كله      فإياك نستهدي و إياك نعبد
যাবতীয় স্তুতি, করুণা ও কর্তৃত্ব তাঁরই। তাই আমরা শুধু তাঁরই সকাশে সু-পথের সন্ধান যাঞ্চা করি এবং শুধু তাঁরই ইবাদত (আনুগত্য ও উপাসনা) করি।

(ঙ) অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানের বিষয়ও স্থান পেয়েছে তাঁর কবিতায়। তাঁর এ ধরণের কোনও কোনও কবিতা প্রবাদের আবহে আজও সমানভাবে প্রচলিত এও উল্লেখ্য যে, তিনি ছিলেন স্বভাব কবি। কাব্যিক-সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অহেতুক পরিশ্রম করতেন না। সে-বিষয়ে তিনি নিজেই বলেছেন-              
لا أسرق الشعراء ما نطقوا     بل لا يوافق شعرهم شعري

কবিরা কী বলেছেন- আমি তা অনুকরণ করি না। ফলে, আমার কবিতার সাথে তাঁদের কবিতা মেল খায় না। 

Image result for ‫حسان بن ثابت‬‎
Image result for ‫حسان بن ثابت‬‎Image result for ‫حسان بن ثابت‬‎

Friday, 3 November 2017

الشعر الإسلامي - شاعر الرسول حسان بن ثابت رضي الله عنه: سؤالا وجوابا


 
شاعر الرسول حسان بن ثابت رضي الله عنه: سؤالا وجوابا 
(563 – 674 م) 

س: من هو شاعر الرسول؟
ج: شاعر الرسول هو أبو الوليد حسان بن ثابت الأنصاري رضي الله عنه. 
س: أين وُلد حسان بن ثابت؟
ج: ولد في المدينة المنورة.
س: من الذين كان حسان بن ثابت يمدحهم؟
ج: كان يمدح المناذرة والغساسنة ويتقبل صلاتهم.
س: "أسلك منهم كما تسل الشعرة من العجين" – من قال ذلك؟
ج: قاله حسان بن ثابت رضي الله عنه.
س: من هو الشاعر الذي قال له النبي صلى الله عليه وسلم "اهجهم ومعك روح القدوس"؟
ج: هو حسان بن ثابت رضي الله عنه.
س: هو شاعر اشتهر ذكره، وارتفع قدره بهجائه الكفار، وعاش ما عاش موفور الكرامة مكفي الحاجة من بيت المال – من هو؟
ج: هو  حسان بن ثابت رضي الله عنه.
س: متى توفي حسان بن ثابت؟
ج: توفى سنة 53 للهجرة.
س: من هو الشاعر الذي كان في الجاهلية شاعر أهل المدن وفي البعثة شاعر النبوة وفي الإسلام شاعر اليمانية؟
ج: هو حسان بن ثابت رضي الله عنه.
س: من هو الشاعر الذي يضارع ابن كلثوم في شعره في الفخر بقومه والمباهة بنفسه مع أنه كان جبانا مخلوع القلب؟
ج: هو حسان بن ثابت رضي الله عنه.
س:     ألا أبلغ أبا سفيان عني     مغلغة فقد برح الخفاء
        بأن سيوفنا تركتك عبدا      وعبد الدار سادتها الإماء
من القائل لهذه الأبيات؟
ج: قائله حسان بن ثابت رضي الله عنه.
س:     إن الذوائب من فهر وإخوتهم     قد بينوا سنة للناس تتبع      
        قوم إذا حاربوا ضروا عدوهم      أو حاولوا النفع في أشياعهم نفعوا
لمن هذه الأبيات؟
ج: هذه الأبيات لحسان بن ثابت رضي الله عنه.
س: من هو الشاعر الذي لقب بشاعر النبي صلى الله عليه وسلم وما شهد غزوة قط؟
ج: هو حسان بن ثابت رضي الله عنه.
س: من قال الشعر أولا في مديح النبي صلى الله عليه وسلم؟
ج: هو حسان بن ثابت رضي الله عنه.
س: من هو الشاعر الذي دعا له النبي صلى الله عليه وسلم "اللهم أيده بروح القدس"؟
ج: هو حسان بن ثابت رضي الله عنه. 

الجمع والإعداد: عبد المتين وسيم الدين